নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মো. মফিজুর রহমানের গাড়িতে হামলা ও গাড়ি লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের দিলদার মার্কেট নামকস্থানে এই হামলার ঘটনা ঘটে। তবে এতে গাড়িতে থাকা প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান কিংবা তার সঙ্গে থাকা কেউ আহত হননি।
তবে এ ঘটনার প্রতিবাদে কাজী মফিজুর রহমানের সমর্থকরা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সেনবাগ পৌর শহরের থানার মোড়ে অবস্থান নেয়। এ সময় সেনবাগ পৌর শহরের দক্ষিণ বাজারের দলীয় কার্যালয় থেকে বিএনপির একদল নেতাকর্মী পাল্টা মিছিল নিয়ে থানার মোড়ে আসলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
পরে রাত সাড়ে আটটার সময় বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী জয়নুল আবেদীন ফারুক এক সংবাদ সম্মেলনে তার একটি গাড়ীসহ তিনটি গাড়ী ভাংচুর এবং হামলায় আটজন নেতাকর্মী আহত হয়েছে বলে দাবী করেন। তিনি ঘটনার জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের দায়ী করেছেন।
পরে রাত সাড়ে নয়টার সময় স্বতন্ত্র কাপ-পিরিচ প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব কাজী মফিজুর রহমান সেনবাগ উপজেলা পরিষদ চত্বরের নির্বাচনী অফিসে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের দিলদার মার্কেট এলাকায় তার গাড়ী বহরের ওপর গুলিবর্ষনের ঘটনায় তার গাড়ীর কাঁচ ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলের উপর হামলার ঘটনায় ৫ জন নেতা কর্মী আহত হয় বলে দাবি করেন।
menu
সেনবাগ (নোয়াখালী) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩:০৭

নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মো. মফিজুর রহমানের গাড়িতে হামলা ও গাড়ি লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের দিলদার মার্কেট নামকস্থানে এই হামলার ঘটনা ঘটে। তবে এতে গাড়িতে থাকা প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান কিংবা তার সঙ্গে থাকা কেউ আহত হননি।
দৈনিক ইত্তেফাকের সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
তবে এ ঘটনার প্রতিবাদে কাজী মফিজুর রহমানের সমর্থকরা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সেনবাগ পৌর শহরের থানার মোড়ে অবস্থান নেয়। এ সময় সেনবাগ পৌর শহরের দক্ষিণ বাজারের দলীয় কার্যালয় থেকে বিএনপির একদল নেতাকর্মী পাল্টা মিছিল নিয়ে থানার মোড়ে আসলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
পরে রাত সাড়ে আটটার সময় বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী জয়নুল আবেদীন ফারুক এক সংবাদ সম্মেলনে তার একটি গাড়ীসহ তিনটি গাড়ী ভাংচুর এবং হামলায় আটজন নেতাকর্মী আহত হয়েছে বলে দাবী করেন। তিনি ঘটনার জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের দায়ী করেছেন।
পরে রাত সাড়ে নয়টার সময় স্বতন্ত্র কাপ-পিরিচ প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব কাজী মফিজুর রহমান সেনবাগ উপজেলা পরিষদ চত্বরের নির্বাচনী অফিসে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের দিলদার মার্কেট এলাকায় তার গাড়ী বহরের ওপর গুলিবর্ষনের ঘটনায় তার গাড়ীর কাঁচ ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলের উপর হামলার ঘটনায় ৫ জন নেতা কর্মী আহত হয় বলে দাবি করেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী তার গাড়ির উপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় কেবা কারা জড়িত তা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সঠিক তদন্তের বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তিনি সকল নেতাকর্মীকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনে নোয়াখালী-২ আসনের ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মাওলানা খলিলুর রহমান ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন জুয়েল বক্তব্য রাখেন।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল বাশার গতরাতে ইত্তেফাককে বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমানের গাড়িতে গুলি হয়েছে কি না তা তিনি নিশ্চিত নন। তবে হামলা হয়েছে। সেনবাগ পৌর শহরের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি নেতৃত্বে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী টহল জোরদার করা করা হয়েছে। গত রাত দশটায় রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।